ব্রেকিং
আজকের সর্বশেষ খবর পড়ুন দেশ-বিদেশের সব খবর এক জায়গায় বিনোদন, খেলা, রাজনীতি সব আপডেট প্রতিদিন নতুন খবর পেতে ভিজিট করুন

যিনি একদা মোদীকে দিয়েছিলেন ধৈর্যের পাঠ, তিনিই এখন দিদির দলের ‘ইনচার্জ’, কী ভাবে উত্থান ঝাড়খণ্ডের ভূমিপুত্র প্রতীকের?

যিনি একদা মোদীকে দিয়েছিলেন ধৈর্যের পাঠ, তিনিই এখন দিদির দলের ‘ইনচার্জ’, কী ভাবে উত্থান ঝাড়খণ্ডের ভূমিপুত্র প্রতীকের?

 


আরজি কর আন্দোলনে তখন উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শুরুর দিকের একটি দুপুর। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভের বহুতলে তাঁর দফতরে কার্যত গলদঘর্ম অবস্থা। কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিকল। কর্মীরা ইতস্তত ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তিনি তাঁর নির্ধারিত ঘরটিতে। কর্মীরা গরমে অতিষ্ঠ। কিন্তু তিনি ‘ঠান্ডা’। যাকে বলে ‘কুল’।শাসক তৃণমূল তখন বেনজির নাগরিক আন্দোলনের গণস্রোতে হাবুডুবু। কিন্তু তিনি ঠান্ডা। ‘কুল’। কী বুঝছেন? সোফায় গা এলিয়ে আরও তিনি ঠান্ডা গলায় বলেছিলেন, ‘‘সিচুয়েশন থোড়া গরম হ্যায়। লেকিন ঠিক হো জায়েগা!’’ কবে? তিনি হেসেছিলেন। তার পর বলেছিলেন, ‘‘দেখতে রহিয়ে না! পেশেন্স রখনা হোগা!’’

ধৈর্য রেখেছিলেন তিনি। আরজি করের উত্তাল নাগরিক আন্দোলন স্থিমিত হয়ে গিয়েছিল। ক্রমে ক্রমে তা মিলিয়েও গিয়েছে রাজ্য এবং দেশের রাজনীতি থেকে। তৃণমূল আবার রাজনীতিতে ফিরেছে ‘স্বমহিমা’ নিয়ে।

বরফের চাঁই চাপিয়ে রাখার মতো ঠান্ডা মাথার দীর্ঘ এবং সুঠাম চেহারার সেই যুবকের নাম প্রতীক জৈন। তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের কর্ণধার। যাঁকে ঘিরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আলোড়িত রাজ্য এবং দেশেরও রাজনীতি। কয়লা কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত দিল্লির একটি পুরনো মামলায় প্রতীকের কলকাতার লাউডন স্ট্রিটের বাড়ি এবং সল্টলেকে সেক্টর ফাইভে তাঁর দফতরে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) দু’টি দল। খবর পেয়ে দু’জায়গাতেই পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের সর্বময় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং।