সল্টলেকে আইপ্যাক-এর দফতর থেকে বেরোতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন ইডির আধিকারিকেরা। উঠল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। ইডির উদ্দেশে ‘বিজেপির দালাল’ বলেও স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকেরা। ওঠে ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিও। যদিও গাড়ি আটকানোর মতো কোনও ঘটনা ঘটেনি। বিক্ষোভ এবং স্লোগানের মাঝেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় আইপ্যাক-এর দফতর ছাড়েন ইডির আধিকারিকেরা।
আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈন সল্টলেকের সেক্টর ফাইভের দফতরে পৌঁছোনো পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতীক পৌঁছোনোর পর আইপ্যাক-এর দফতর ছাড়েন তিনি। তবে তৃণমূলের অন্য নেতাকর্মীরা আইপ্যাক-এর দফতরের বাইরেই রয়ে গিয়েছিলেন। ছিলেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী এবং সব্যসাচী দত্তও।
সন্ধ্যা পর্যন্ত সল্টলেকের ওই বহুতল ভবনের বাইরে একটি জটলা হয়ে ছিল। তা ছিল মূলত তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদেরই ভিড়। দিনভর তল্লাশির পরে সন্ধ্যায় ইডির আধিকারিকেরা আইপ্যাক-এর দফতর থেকে বেরোতেই তাঁদের গাড়ি ঘিরে ধরেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। উঠতে থাকে স্লোগানও। এই উত্তেজনাময় পরিস্থিতির মাঝেই আইপ্যাক-এর দফতর ছাড়েন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কলকাতায় লাউডন স্ট্রিটে প্রতীকের বাড়ি এবং সল্টলেকের দফতরে হানা দেয় ইডি। সল্টলেক সেক্টর ফাইভের এক বহুতলের ১১ তলায় রয়েছে আইপ্যাক-এর দফতর। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ ওই দফতর থেকে নীচে নামেন ইডির আধিকারিকেরা। এর পরেই শুরু হয় বিক্ষোভ এবং স্লোগান।